সাতটি জাহান্নামের নাম

সাতটি জাহান্নামের (hells) নাম

সাতটি জাহান্নামের (jahannam) নাম

জাহান্নাম ভয়াবহ জায়গা আল্লাহপাক তার যেসব বান্দাগণকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে তাদের জন্য ভয়ংকর জীবন অপেক্ষা করছে। তাই আমরা চেষ্টা করবো যেনো আল্লাহপাক আমাদেরকে জাহান্নামে না দেয় তা থেকে রক্ষা পাওয়ার। সেজন্য আমরা আল্লাহর আদেশ নিষেধ ও নবিজীর দেখানো পথে চলব যেনো আমরা জান্নাত লাভ করতে পারি ও জাহান্নাম হতে বাচতে পারি। 

আজকের পোস্টের মাধ্যমে আমরা ভয়ংকর সাতটি জাহান্নামের নাম জানতে পারবো এবং জাহান্নামের সাথে আল্লাহপাকের কথোপকথন ও নবীগণ কিভাবে তার উম্মতদেরকে জাহান্নামের হাত থেকে বাচানোর জন্য যে চেষ্টা করবেন তাও।

জাহান্নামের (hells) নাম কি কি

জাহীম (hells)

হুতামা (hells)

হাবিয়া (hells)

সাকার (hells)

লাযা (hells)

সাঈর (hells)

যামহারীর (hells)

ওয়াইল (hells)

জাহান্নাম (hells) কি

জাহান্নাম শব্দের অর্থ হলো গর্ত বা শাস্তির জায়গা। খুবই ভয়ংকর জায়গার নাম হলো জাহান্নাম যেখানে মানব শরীরের উপর ভয়াবহ শাস্তি ছাড়া আর কিছুই নেই।

জাহান্নামের (hells) ৭ টি দরজার নাম

জাহান্নামের (hells) সাতটি দরজার হলোঃ

জাহীম

হুতামা

হাবিয়া

সাকার

লাযা

সাঈর

যামহারীর

ওয়াইল

৮টি জাহান্নামের (hells) নাম

জাহীম
হুতামা
হাবিয়া
সাকার
লাযা
সাঈর
যামহারীর
ওয়াইল

জাহান্নামের (hells) দরজার নাম সমূহ

জাহীম

হুতামা

হাবিয়া

সাকার

লাযা

সাঈর

যামহারীর

ওয়াইল

সাতটি জাহান্নামের নাম কি?

জাহীম
হুতামা
হাবিয়া
সাকার
লাযা
সাঈর
যামহারীর

জাহান্নামের (hells) কথপোকথন

জাহান্নাম আল্লাহর নির্দেশে কথা বলবে

আল্লাহ বলবেন: তুমি কি পরিপূর্ণ হয়েছ? জাহান্নাম বলবে আরো কিছু আছে কি?

আরবির বাংলা অর্থ: “সেদিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞেস করব তুমি কি পূর্ণ হয়েছ? সে বলবে: আরো আছে কি?” (সূরা ক্বাফ ৩০)

জাহান্নামের চোখ থাকবে যা দিয়ে সে দূর থেকে জাহান্নামীকে আসতে দেখে তাকে চিনে ফেলবে:

আরবির বাংলা অর্থ: “দূর থেকে জাহান্নাম যখন তাদেরকে দেখবে, তখন তারা শুনতে পারবে এর ক্রুব্ধ গর্জন চীৎকার।” (সূরা ফুরকান ১২)

জাহান্নামের দু'টি চোখ থাকবে যা দিয়ে সে দেখবে এবং তার দু'টি কান থাকবে যা দিয়ে সে শুনবে, তার মুখ থাকবে যা দিয়ে সে কথা বলবে:

আরবির বাংলা অর্থ: “আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:  রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: কিয়ামতের দিন জাহান্নাম থেকে একটি গর্দান বের হবে, তার দু'টি চোখ থাকবে যা দিয়ে সে দেখবে, দু'টি কান হবে যা দিয়ে সে শুনবে এবং মুখ থাকবে যা দিয়ে সে কথা বলবে। সে বলবে: আমি তিন প্রকার লোককে আযাব দেয়ার জন্য নির্দেশিত হয়েছি।

. প্রত্যেক ব্যর্থকাম হঠকারী।

. যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য কোনো ইলাহকে ডাকে।

. ছবি তৈরিকারী” (আহমাদ ৮৪৩০)

আল্লাহ সমস্ত ঈমানদারদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার এবং তার পরিবার পরিজনকে তা থেকে বাঁচানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন:

আরবির বাংলা অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন হতে বাঁচাও যার জ্বালানি হবে মানুষ পাথর; যেখানে রয়েছে নির্মম কঠোর ফেরেশতাকূল, যারা আল্লাহ তাদেরকে যে নির্দেশ দিয়েছেন সে ব্যাপারে যার অবাধ্য হয় না। আর তারা তা- করে যা তাদেরকে আদেশ করা হয়। (সূরা তাহরীম )

সমস্ত নবীগণ স্ব স্ব উম্মতদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন

. নূহ (আঃ)

আরবির বাংলা অর্থ : আমি তো নূহকে তার কওমের নিকট প্রেরণ করেছি। অতঃপর সে বলেছে, ‘হে আমার কওম! তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর। তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো (সত্য) ইলাহ নেই। নিশ্চয় আমি তোমাদের মহাদিনের আযাবের ভয় করছি' (সূরা আরাফ ৫৯)

. ইব্রাহিম (আঃ)

আরবির বাংলা অর্থ: আর ইবরাহীম (আঃ) বলল, 'দুনিয়ার জীবনে তোমাদের মধ্যে মিল- মহব্বতের জন্যই তো তোমরা আল্লাহ ছাড়া মূর্তিদেরকে গ্রহণ করেছ। তারপর কিয়ামতের দিন তোমরা একে অপরকে অস্বীকার করবে এবং পরস্পর পরস্পরকে লা'নত করবে, আর তোমাদের নিবাস জাহান্নাম এবং তোমাদের জন্য থাকবে না কোনো সাহায্যকারী' (সূরা আনকাবুত ২৫)

. হুদ আঃ

. শুআইব আঃ

আরবির বাংলা অর্থ: আর মাদইয়ানে আমি (পাঠিয়েছিলাম) তাদের ভাই শুআইবকে। সে বলল, ‘হে আমার কওম! তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো (সত্য) ইলাহ নেই এবং মাপ ওযনে কম করো না; আমি তো তোমাদের প্রাচুর্যশীল দেখছি, কিন্তু আমি তোমাদের উপর এক সর্বগ্রাসী দিনের আযাবের ভয় করছি' (সূরা হূদ ৮৪)

. মূসা (আঃ)
জাহান্নামের (hells) আজাব

আরবির বাংলা অর্থ: আমরা তোমার কাছে এসেছি তোমার রবের আয়াত নিয়ে। আর যারা সৎ পথ অনুসরণ করে, তাদের প্রতি শান্তি' নিশ্চয় আমাদের নিকট ওহী প্রেরণ করা হয়েছে যে, আযাবতো তার জন্য, যে মিথ্যা আরোপ করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়। (সূরা ত্ব-হা ৪৭-৪৮)

. ঈসা (আঃ)

আরবির বাংলা অর্থ: অবশ্যই তারা কুফরী করেছে, যারা বলেছে, 'নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন মারইয়াম পুত্র মাসীহ' আর মাসীহ বলেছে, ‘হে বনী ইসরাঈল! তোমরা আমার রব তোমাদের রব আল্লাহর ইবাদাত কর' নিশ্চয় যে আল্লাহর সাথে শরীক করে, তার উপর অবশ্যই আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন এবং তার ঠিকানা আগুন। আর যালিমদের কোনো সাহায্যকারী নেই। (সূরা মায়িদা ৭২)

. অন্যান্য নবী রাসূলগণঃ

আরবির বাংলা অর্থ: “ আমি রাসূলদেরকে কেবল সুসংবাদদাতা সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করি। অতএব যারা ঈমান এনেছে শুধরে নিয়েছে, তাদের জন্য কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিত হবে না। আর যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে তাদেরকে স্পর্শ করবে আযাব, কারণে যে, তারা নাফরমানী করত (সূরা আনআম ৪৮-৪৯)

. মুহাম্মদ সাঃ

আরবির বাংলা অর্থ: বল, ‘আমি তো তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি। তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দু'জন অথবা এক একজন করে দাঁড়িয়ে যাও, অতঃপর চিন্তা করে দেখ, তোমাদের সাথীর মধ্যে কোনো পাগলামী নেই। সে তো আসন্ন কঠোর আযাব সম্পর্কে তোমাদের একজন সতর্ককারী বৈ কিছু নয়।' (সূরা সাবা ৪৬)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সর্বপ্রথম তাঁর নিকট আত্মীয়দেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য তাকিদ দিয়েছেন

আরবির বাংলা অর্থ: “আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন আয়াত অবতীর্ণ হলোতোমার নিকট আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দাওতখন  রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কুরাইশদেরকে ডেকে একত্র করলেন, তাদেরকে ব্যাপক বিশেষভাবে বললেন: হে কা' বিন লুয়াই বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।

হে মুররা বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। হে আবদে শামস বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। হে হাশেম বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।

হে আবদুল মোত্তালিব বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। হে ফাতেমা! তুমি তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। আল্লাহর নিকট আমি তোমার জন্য কোনো কিছু করার ক্ষমতা রাখি না। তবে দুনিয়াতে তোমাদের সাথে আমার যে সম্পর্ক আছে তা আমি অটুট রাখব।” (মুসলিম)

জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার 

প্রত্যেক মুসলমান নারী পুরুষকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে:

আরবির বাংলা অর্থ: “আদী বিন হাতেম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:  রাসূলুল্লাহ (সাঃ) জাহান্নামের কথা স্মরণ করলেন এবং তাঁর মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং চরম অস্বস্তি কর ভাব প্রকাশ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর,

তিনি পুনরায় মুখ ফিরিয়ে নিলেন এমন ভাব প্রকাশ করলেন, যাতে আমাদের মনে হচ্ছিল যেন তিনি তা দেখছেন, অতঃপর তিনি বললেন: তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর, যদি তা এক টুকরা খেজুরের বিনিময়েও হয়। আর যার সমর্থটুকুও নেই সে যেন ভাল কথার মাধ্যমে তা করে।” (মুসলিম ১০১৬)

জাহান্নামের (hells) আগুন থেকে দূরে সর

লোকেরা জাহান্নামের আগুন থেকে দূরে সর, লোকেরা জাহান্নামের আগুন থেকে দূরে সর

আরবির বাংলা অর্থ: “আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:  রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: আমার উদাহরণ ব্যক্তির ন্যায় যে আগুন জ্বালাল এর পর যখন তার আস পাশে আলোকিত হলো তখন কিট-পতঙ্গ তাতে পতিত হতে লাগল,

তখন লোক এগুলোকে বাধা দিতে লাগল, কিন্তু কিট-পতঙ্গ তাকে উপেক্ষা করে সেখানে পতিত হতে লাগল, এটিই আমার তোমাদের উদাহরণ, আমি তোমাদের কোমর টেনে তোমাদেরকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে চাচ্ছি এবং বলতেছি যে, হে লোকেরা! আগুন থেকে দূরে থাক, হে লোকেরা! আগুন থেকে দূরে থাক, কিন্তু তোমরা আমাকে উপেক্ষা করে জাহান্নামের দিকে যাচ্ছ।” (মুসলিম ২২৮৪)

আমীর, গরীব, নারী-পুরুষ, আলেম, জাহেল, আবেদ, সংসার ত্যাগী সকলকেই সব কিছুর বিনিময়ে জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য চেষ্টা করা উচিত:

আরবির বাংলা অর্থ: “আদী বিন হাতেম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: তোমাদের কেউ আল্লাহর সামনে একদিন এমন ভাবে দাঁড়াবে যে, তার মাঝে আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকবে না, এবং কোনো অনুবাদকও থাকবে না, আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করবেন: আমি কি তোমাকে ধন-সম্পদ দান করিনি? সে বলবে: হ্যাঁ নিশ্চয়ই।

আল্লাহ আবার জিজ্ঞেস করবেন, আমি কি তোমার নিকট রাসূল পাঠাইনি? সে বলবে: হ্যাঁ নিশ্চয়ই, অতঃপর সে তার ডান দিকে তাকাবে, কিন্তু আগুন ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাবে না, অতঃপর সে তার বাম দিকে তাকাবে কিন্তু সেখানেও আগুন nullব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাবে না।

অতএব তোমাদের প্রত্যেকেই একটি খেজুরের টুকরা দিয়ে হলেও যেন নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে। যদি এটাও সে না পায় তবে উত্তম কথা দিয়ে হলেও যেন নিজকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচায়।” (বুখারী ১৪১৩)

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) স্বীয় উম্মতদের সতর্ক করার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন:

আরবির বাংলা অর্থ: “নুমান বিন বাশীর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি  রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন: হে লোকেরা! আমি তোমাদেরকে জাহান্নাম থেকে ভয় দেখাচ্ছি, আমি তোমাদেরকে জাহান্নাম থেকে ভয় দেখাচ্ছি, তিনি ধারাবাহিকভাবে কথাটি বলতে ছিলেন এমতাবস্থায় তাঁর আওয়াজ এত উচ্চ হলো যে, যদি  রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার স্থানে হতেন তাহলে বাজারে উপস্থিত লোকেরা তাঁর আওয়াজ শুনে ফেলত। (তিনি এত ব্যাকুলভাবে একথা গুলো) বলছিলেন যে তার চাদর তাঁর কাঁধ থেকে পায়ে পড়ে গেল।” (দারেমী ২৮৫৪)

আরবির বাংলা অর্থ: “জাবির বিন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বিদায় হজ্বের ঘটনায় বর্ণিত হয়েছে, রাসূলূল্লাহ সাঃ লোকদেরকে লক্ষ্য করে বললেন: (কিয়ামতের দিন যদি তোমরা আমার ব্যাপারে জিজ্ঞেসিত হও) তাহলে তোমরা কি বলবে? তারা বলল:

আমরা সাক্ষি দিব যে, আপনি দায়িত্ব পালন করেছেন, উপদেশ দিয়েছেন। এরপর তিনি তাঁর শাহাদাত আঙ্গুল আকাশের দিকে তুলে লোকদের দিকে ইশারা করে তিনবার বললেন: হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষি থাক।” (মুসলিম ১২১৮)

সাতটি জাহান্নামের (hells) নাম উপসংহারঃ

আমরা আজকের পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম জাহান্নাম ও আল্লাহর মধ্যে কথা বলবে এবং আরো জানতে পারলাম যে, সাতটি জাহান্নামের নাম, জাহান্নামের নাম কি কি, জাহান্নাম কি, জাহান্নামের (hells) ৭ টি স্তর, ৮টি জাহান্নামের নাম, জাহান্নামের দরজার নাম ইত্যাদি।

পোস্ট ট্যাগঃ

সাতটি জাহান্নামের (hells) নাম
আটটি জান্নাত ও সাতটি জাহান্নামের নাম
সাতটি জাহান্নামের নাম কি
জাহান্নামের সাতটি দরজার নাম
জাহান্নামের (hells) নাম
জাহান্নামের সাতটি নাম
সাত জাহান্নামের নাম
জাহান্নামের ৭ টি নাম
সাতটি দোযখের নাম
জাহাননাম (hells)

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url